গাজীপুর জেলা জজ কোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন টঙ্গী ৪৬নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি পদপ্রার্থী ও কাউন্সিলর প্রার্থী শাহীন আহমেদ রিজভী। আজ সকালে আদালতে দীর্ঘ শুনানি এবং উভয় পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তি-তর্ক উপস্থাপনের পর বিচারক তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরে আদালতের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে তিনি কারামুক্ত হন।
শাহীন আহমেদ রিজভীর জামিনের খবর ছড়িয়ে পড়লে টঙ্গীর ৪৬নং ওয়ার্ডসহ আশপাশের এলাকায় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মাঝে স্বস্তি ও আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়। সকাল থেকেই আদালত প্রাঙ্গণে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী, স্বজন ও এলাকাবাসীর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। জামিনের আদেশ ঘোষণার পর অনেকেই আনন্দ প্রকাশ করেন এবং এটিকে “সত্যের বিজয়” বলে অভিহিত করেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শাহীন আহমেদ রিজভী দীর্ঘদিন ধরে টঙ্গীর বিভিন্ন সামাজিক, মানবিক ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়ে আসছেন। সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধান, অসহায়দের সহযোগিতা এবং এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি স্থানীয়দের কাছে সুপরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
সম্প্রতি তাকে আটক করার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়। তার সমর্থকদের দাবি, রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় থাকায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছে এবং তিনি সম্পূর্ণ নির্দোষ।
আজকের শুনানিতে তার আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি তুলে ধরে বলেন, শাহীন আহমেদ রিজভীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের যথেষ্ট ভিত্তি নেই এবং তিনি সমাজে একজন সম্মানিত ব্যক্তি। শুনানি শেষে আদালত বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তার জামিন মঞ্জুর করেন।
জামিনের পর আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত নেতাকর্মীরা ফুল দিয়ে শাহীন আহমেদ রিজভীকে শুভেচ্ছা জানান। এ সময় অনেককে আবেগাপ্লুত হতেও দেখা যায়। নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, তিনি আগের মতোই এলাকার মানুষের পাশে থেকে উন্নয়ন ও জনকল্যাণমূলক কাজ চালিয়ে যাবেন।
এদিকে তার জামিনকে কেন্দ্র করে টঙ্গীর রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শাহীন আহমেদ রিজভীর মুক্তি ৪৬নং ওয়ার্ডের রাজনৈতিক পরিবেশে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে।