• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ফুলবাড়ী ইউনিয়ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন পেতে আলোচনায় যারা ​ ​গোবিন্দগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মহোৎসব: ভুয়া সমিতিতে জিম্মি জমি ক্রেতারা, মাসে পকেট কাটছে ৮১ লাখ টাকা! আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ডিবি প্রধানকে বিশেষ সম্মাননা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান: গাইবান্ধার শ্রেষ্ঠ অফিসার মীর কায়েছ ২২ কোটি টাকার চাল আত্মসাৎ: দীর্ঘদিনেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্তরা গোবিন্দগঞ্জে সমাজসেবা ও ইউনিয়ন পরিষদের নাম ভাঙিয়ে ‘ডিজিটাল সেবা কার্ড’—অভিনব প্রতারণার অভিযোগ ভালো মানুষের আড়ালে নারীকে ভয়ভীতি ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ গোবিন্দগঞ্জের যুবলীগ নেতা শাহীন আকন্দকে ঘিরে অভিযোগের পাহাড় গোবিন্দগঞ্জে জুয়ার আসরে অভিযানে ৯ জুয়ারি গ্রেফতার জুমার খুতবাহ প্রদান করবেন এমপি মোহাম্মদ শামীম কায়সার (লিংকন), হামিদপুর চিন্তিপাড়ায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মাঝে উৎসাহ গোবিন্দগঞ্জের বালুয়া তমিজউদ্দীন আহমাদিয়া মাদ্রাসায় নতুন নেতৃত্ব, সভাপতি রুহুল আমিন মন্ডল

“অভিযোগের পাহাড়, তবুও ধরাছোঁয়ার বাইরে সবুজ—কার শক্তিতে টিকে আছে বালু বাণিজ্য?”

গোবিন্দগঞ্জ প্রতিনিধি: / ৩৭৭ Time View
Update : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন ও পরিবহনের অভিযোগ ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে সবুজ নামের এক ব্যক্তির নাম। স্থানীয়দের দাবি, প্রশাসনের চোখের সামনেই দিনের পর দিন নদী ও ফসলি জমি কেটে বালু উত্তোলন চললেও রহস্যজনক কারণে থেকে যাচ্ছে ধরাছোঁয়ার বাইরে অভিযোগের মূল হোতারা। ফলে জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন—কার শক্তিতে টিকে আছে এই বালু বাণিজ্য?
স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, গভীর রাত থেকে শুরু করে দিনের বিভিন্ন সময়েও ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়। পরে ট্রাক ও ট্রলির মাধ্যমে সেই বালু বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। এতে একদিকে যেমন কৃষিজমি হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে নদী ভাঙন ও পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কাও বাড়ছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, অবৈধ এই কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে তাকে নানা ধরনের ভয়ভীতি ও চাপের মুখে পড়তে হয়। অনেকেই নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “সবাই জানে কারা এই ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস খুব কম মানুষের আছে।”
অনুসন্ধানে জানা গেছে, বিভিন্ন সময় প্রশাসনের অভিযান পরিচালিত হলেও কিছুদিন বন্ধ থাকার পর আবারও শুরু হয় বালু উত্তোলন। স্থানীয়দের প্রশ্ন—অভিযান যদি সত্যিই কার্যকর হয়, তাহলে কীভাবে বারবার ফিরে আসে একই সিন্ডিকেট?
এদিকে অভিযোগ রয়েছে, প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়া ও কিছু অসাধু ব্যক্তির সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে শক্তিশালী বালু সিন্ডিকেট। যদিও এসব অভিযোগ সংশ্লিষ্টরা অস্বীকার করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে ইতোমধ্যে অনেক এলাকায় ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝুঁকিতে পড়েছে গ্রামীণ সড়ক ও বসতভিটাও। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে ভবিষ্যতে বড় ধরনের পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বক্তব্য জানতে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
তবে এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে এবং অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা