গোবিন্দগঞ্জ (গাইবান্ধা) প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়নে মোঃ হেলাল শেখকে ঘিরে প্রতারণা, বয়স্ক-বিধবা-প্রতিবন্ধী ভাতাভোগীদের অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং মাদক কেনাবেচায় জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, রাজনৈতিক আশ্রয়-প্রশ্রয়ের কারণে তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। এসব বিষয়ে প্রসাশনিক হস্তক্ষেপ কামনা করছেন সচেতন নাগরিক সমাজ।
অভিযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সরকারি ভাতার টাকা নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করা হয়েছে।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় দেওয়া ভাতা অসচ্ছল মানুষের জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অবলম্বন। এ অর্থ প্রতারণার মাধ্যমে নেওয়ার অভিযোগ সত্য হলে তা গুরুতর উদ্বেগের বিষয়।
জ্বিনের বাদশা শেষে বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে এই হেলাল শেখের বিরুদ্ধে। এছাড়াও হেলাল শেখের বিরুদ্ধে মাদক কেনাবেচার সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও রয়েছে।
এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, , তালুককানুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিফতাহুল আমিন বুলবুলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে হেলাল শেখ এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। এবং প্রসাশনের চোখ ফাকি দিয়ে ধরাছোয়ার বাইরে রয়েছেন। এ বিষয়ে তালুককানুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মিফতাহুল আমিন এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, কেউ যদি রাজনৈতিক পরিচয়ে কোন অপরাধে জড়িত থাকে তাহলে তার কোন দায়ভার দল বহন করবে না। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হলে যথাযথা আইনগত ব্যবস্থা নিতে ইয়নিয়ন বিএনপি সহযোগিতা করবে।
সচেতন নাগরিকদের দাবী ব্যবসায়িক প্রতারণা, সরকারি ভাতাভোগীদের অর্থ নেওয়া এবং মাদক কেনাবেচার অভিযোগের সত্যতা উদ্ঘাটনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।
অভিযোগগুলো প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের অর্থ উদ্ধারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। অন্যদিকে, অভিযোগের কোনো অংশ অসত্য হলে সেটিও তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন।
উল্লেখ্য অবৈধভাবে অর্জিত টাকা সাদা বানানোর জন্য সে আসন্ন ইউপি নির্বাচনে ৮ নং ওয়ার্ডের মেম্বার পদে প্রার্থী ঘোষনা দিয়ে প্রচার-প্রচারনা চালাচ্ছেন।