• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
প্রতারণা থেকে মাদক কারবার—তালুককানুপুরে হেলাল শেখকে ঘিরে নানা অভিযোগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ধরাছোঁয়ার বাইরে গোবিন্দগঞ্জে অটো ছিনতাই–কেনাবেচা চক্রের বিস্তর জাল ৬ সদস্য গ্রেপ্তারের পর আলোচনায় জীবন প্রডাকশনের স্বত্বাধিকারী জীবন ইসলাম গোবিন্দগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে জুয়া খেলার অভিযোগে ৮ জন আটক গোবিন্দগঞ্জের গর্ব ওবায়দুল হক আরিফ স্যার: উপজেলা পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণীজন শিক্ষক’ নির্বাচিত ফুলবাড়ী ইউনিয়ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন পেতে আলোচনায় যারা ​ ​গোবিন্দগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মহোৎসব: ভুয়া সমিতিতে জিম্মি জমি ক্রেতারা, মাসে পকেট কাটছে ৮১ লাখ টাকা! আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ডিবি প্রধানকে বিশেষ সম্মাননা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান: গাইবান্ধার শ্রেষ্ঠ অফিসার মীর কায়েছ ২২ কোটি টাকার চাল আত্মসাৎ: দীর্ঘদিনেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্তরা গোবিন্দগঞ্জে সমাজসেবা ও ইউনিয়ন পরিষদের নাম ভাঙিয়ে ‘ডিজিটাল সেবা কার্ড’—অভিনব প্রতারণার অভিযোগ

গোবিন্দগঞ্জে অটো ছিনতাই–কেনাবেচা চক্রের বিস্তর জাল ৬ সদস্য গ্রেপ্তারের পর আলোচনায় জীবন প্রডাকশনের স্বত্বাধিকারী জীবন ইসলাম

Reporter Name / ১৯৯ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
0-3264x2448-0-0-{}-0-0#

গাইবান্ধায় চুরি যাওয়া অটোরিকশা উদ্ধারসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তারের পর অটো চুরি ও কেনাবেচার সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

২৯ সেপ্টেম্বর দুপুরে গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের ভবানীপুর মৌজার তুলসীঘাট সার গোডাউনের পশ্চিম পাশে অভিযান চালিয়ে চুরি যাওয়া অটোরিকশাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

গ্রেপ্তাররা হলেন—রাকিব হাসান (৩০), মেহেদী শেখ (২৫), সুলতান ইসলাম (২৬), সামিউল ইসলাম (২২), মারুফুর রহমান মারুফ (৩৩) ও আব্দুল হামিদ বাবু (৩৪)।

তাদের মধ্যে রাকিব হাসান, মেহেদী শেখ, সুলতান ইসলাম ও সামিউল ইসলাম—চারজনই গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নের সাতাইল-বাতাইল গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।

গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জনের মধ্যে চারজনের বাড়ি একই গ্রামে—এই তথ্য সামনে আসার পরই স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের সৃষ্টি হয়। একই এলাকার চার ব্যক্তি কীভাবে একই ধরনের অপরাধের ঘটনায় একসঙ্গে গ্রেপ্তার হলেন? তাদের মধ্যে আগে থেকেই কোনো পরিচয় বা যোগাযোগ ছিল কি না? আর চুরি হওয়া অটোরিকশার পরবর্তী গন্তব্যই বা কোথায়?

এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে শুরু হয় অনুসন্ধান। অনুসন্ধানে উঠে আসতে থাকে অটো চুরি, উদ্ধার ও সম্ভাব্য কেনাবেচাকে ঘিরে বিভিন্ন তথ্য। এরই ধারাবাহিকতায় জীবন প্রডাকশনের স্বত্বাধিকারী জীবন ইসলাম মাহমুদকে ঘিরেও বিভিন্ন অভিযোগ ও তথ্য সামনে আসে।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জীবন ইসলাম মাহমুদ উপজেলার চাঁদপুর তালুকদার বাড়ির মঞ্জু মিয়ার দ্বিতীয় ছেলে। স্থানীয় কয়েকজনের দাবি, এর আগেও চুরি বা ছিনতাই হওয়া অটোরিকশা কেনার অভিযোগে তাকে একাধিকবার গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে এসব তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি ও পুলিশের রেকর্ড যাচাই করা প্রয়োজন।

এদিকে জীবন ইসলামের বক্তব্য জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সাংবাদিকের ওপর চড়াও হওয়া ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তি সাংবাদিককে ফোন করে ‘ম্যানেজ’ করার চেষ্টা এবং হুমকি দিয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ফলে অনুসন্ধানে আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন সামনে এসেছে—ছয়জনের মধ্যে চারজন একই গ্রামের কেন? তাদের সঙ্গে অটো চুরি বা কেনাবেচার কোনো পূর্ববর্তী যোগাযোগ রয়েছে কি? চুরি হওয়া অটোরিকশাগুলো কার কাছে পৌঁছায়? আর এসবের পেছনে আরও কোনো ব্যক্তি বা নেটওয়ার্ক রয়েছে কি না?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর খুঁজতে অনুসন্ধান অব্যাহত রয়েছে। পরবর্তী পর্বে যাচাইযোগ্য নথি, পুলিশি তথ্য, সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য ও অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে অটো চুরি–কেনাবেচার নেপথ্যের আরও তথ্য তুলে ধরা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা