• শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ০১:৪৬ পূর্বাহ্ন
Headline
৭০০ পিস ইয়াবাসহ ঠাকুরগাঁওয়ে যুবক গ্রেপ্তার টক অব দ্য টাউন: মির্জাপুরে ৪২ দিনের ব্যবধানে দুই বিয়ে, দুই তালাক! এক নারীকে ঘিরে চাঞ্চল্য গোবিন্দগঞ্জে ‘উন্নয়ন’ নামের প্রহসন—১ লাখ ৭৫ হাজার টাকার সলিং রাস্তা কাদার নিচে! ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে নাঈম গোলদারকে ঘিরে বিতর্ক: পদোন্নতি, প্রভাব ও অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনে তোলপাড় গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ২ জন আটক, ২৯৮ পিস ইয়াবা জব্দ গোবিন্দগঞ্জ থানায় দালালদের রাজত্ব; মামলা থেকে গ্রেপ্তার—সবকিছুতেই টাকার খেলা! পর্ব-০১ ঠাকুরগাঁও সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে ভারতীয় গরু, জানে না প্রশাসন “অভিযোগের পাহাড়, তবুও ধরাছোঁয়ার বাইরে সবুজ—কার শক্তিতে টিকে আছে বালু বাণিজ্য?” শত কোটি টাকার সম্পদের মালিক লাবলু রহমান: ক্ষমতার ছত্রছায়ায় দুর্নীতি, নিয়োগ বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদের বিস্তর অভিযোগ দীর্ঘ শুনানি শেষে জামিনে মুক্ত যুবদল নেতা শাহীন আহমেদ রিজভী, টঙ্গীতে আনন্দের জোয়ার

ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরে নাঈম গোলদারকে ঘিরে বিতর্ক: পদোন্নতি, প্রভাব ও অভিযোগ নিয়ে প্রশাসনে তোলপাড়

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ / ৩৩ Time View
Update : সোমবার, ১ জুন, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর (DGDA)-কে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মোহাম্মদ নাঈম গোলদারকে নিয়ে একাধিক অভিযোগ ও বিতর্ক প্রশাসনিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। দপ্তরটির ভেতরের কিছু সূত্র এবং অভিযোগপত্র ঘিরে তাঁর প্রশাসনিক ভূমিকা, পদোন্নতি প্রক্রিয়া এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যদিও এসব অভিযোগ এখনো কোনো স্বাধীন তদন্ত বা আদালতের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়নি।
অভিযোগগুলোর কেন্দ্রে রয়েছে পদোন্নতি সংক্রান্ত সুপারিশ এবং প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে প্রভাব বিস্তারের বিষয়টি। বিভিন্ন সূত্র দাবি করছে, পরিচালক পদে পদোন্নতির জন্য একাধিক সুপারিশ প্রেরণ করা হয়েছে, যা দপ্তরের ভেতরে নতুন করে অসন্তোষ ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কিছু কর্মকর্তা মনে করছেন, এখানে যোগ্যতা ও সিনিয়রিটির পাশাপাশি প্রভাবশালী মহলের লবিং কাজ করেছে বলে তারা সন্দেহ প্রকাশ করছেন। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
দপ্তরের অভ্যন্তরীণ আরও কিছু সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরেই নাঈম গোলদারের প্রশাসনিক অবস্থান ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিয়ে ভিন্নমত রয়েছে। বিশেষ করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন ও প্রশাসনিক কার্যক্রমে তাঁর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা রয়েছে। তবে একই সঙ্গে অনেক কর্মকর্তা মনে করেন, অভিযোগগুলো যাচাই ছাড়া গ্রহণ করা উচিত নয় এবং নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব নয়।
অভিযোগের আরেকটি অংশে তাঁর বিরুদ্ধে অতীতে রাজনৈতিক প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার মাধ্যমে সুবিধা নেওয়ার দাবি করা হয়েছে। তবে এসব দাবি এখনো নির্ভরযোগ্য নথি বা তদন্ত প্রতিবেদনে প্রমাণিত হয়নি। ফলে বিষয়টি এখনো কেবল অভিযোগ পর্যায়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে।
একই সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন মাধ্যমে ঢাকায় ফ্ল্যাট এবং নিজ জেলায় জমি ক্রয়ের মতো সম্পদের বিষয় উল্লেখ করা হলেও এসব সম্পদের উৎস বা বৈধতা নিয়ে কোনো সরকারি বা দুর্নীতি দমন কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়নি। ফলে এগুলোও এখনো যাচাই-বাছাইয়ের বাইরে থাকা অভিযোগ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে।
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর দেশের ওষুধ নিয়ন্ত্রণ, মান নির্ধারণ এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তাকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, যেকোনো ধরনের অনিয়ম বা অসংগতি থাকলে তা অবশ্যই স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা উচিত।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ নাঈম গোলদারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁর প্রতিক্রিয়া জানা সম্ভব হয়নি। ফলে অভিযোগগুলো এখনো একতরফা তথ্য ও সূত্রনির্ভর বক্তব্য হিসেবেই রয়ে গেছে।
সব মিলিয়ে, নাঈম গোলদারকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ ও বিতর্ক বর্তমানে প্রশাসনিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকলেও চূড়ান্ত সত্য নির্ধারণ নির্ভর করছে যথাযথ তদন্ত ও কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের ওপর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা