• বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
প্রতারণা থেকে মাদক কারবার—তালুককানুপুরে হেলাল শেখকে ঘিরে নানা অভিযোগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ধরাছোঁয়ার বাইরে গোবিন্দগঞ্জে অটো ছিনতাই–কেনাবেচা চক্রের বিস্তর জাল ৬ সদস্য গ্রেপ্তারের পর আলোচনায় জীবন প্রডাকশনের স্বত্বাধিকারী জীবন ইসলাম গোবিন্দগঞ্জে ডিবি পুলিশের অভিযানে জুয়া খেলার অভিযোগে ৮ জন আটক গোবিন্দগঞ্জের গর্ব ওবায়দুল হক আরিফ স্যার: উপজেলা পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ গুণীজন শিক্ষক’ নির্বাচিত ফুলবাড়ী ইউনিয়ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি’র দলীয় মনোনয়ন পেতে আলোচনায় যারা ​ ​গোবিন্দগঞ্জ সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দুর্নীতির মহোৎসব: ভুয়া সমিতিতে জিম্মি জমি ক্রেতারা, মাসে পকেট কাটছে ৮১ লাখ টাকা! আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ডিবি প্রধানকে বিশেষ সম্মাননা আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ অবদান: গাইবান্ধার শ্রেষ্ঠ অফিসার মীর কায়েছ ২২ কোটি টাকার চাল আত্মসাৎ: দীর্ঘদিনেও গ্রেপ্তার হয়নি অভিযুক্তরা গোবিন্দগঞ্জে সমাজসেবা ও ইউনিয়ন পরিষদের নাম ভাঙিয়ে ‘ডিজিটাল সেবা কার্ড’—অভিনব প্রতারণার অভিযোগ

নেতিবাচক মানুষের ভিড়ে হারিয়ে যাচ্ছে আপনার কর্মশক্তি?

নিউজ ডেস্ক / ৩১৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬

একজন ইতিবাচক মানুষ যেমন আপনার সাফল্যের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠতে পারেন, তেমনি আশপাশের নেতিবাচক মানুষও ধীরে ধীরে আপনার কর্মশক্তি কমিয়ে দিতে পারে। মনোবিজ্ঞানীদের মতে, ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনে কিছু ধরনের মানুষের সঙ্গে অতিরিক্ত মেলামেশা মানসিক চাপ ও কর্মস্পৃহা কমার কারণ হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে এমন পাঁচ ধরনের ব্যক্তির বিষয়ে তুলে ধরা হলো, যাদের আচরণ ধীরে ধীরে আপনার মানসিক শক্তি ও মনোযোগে প্রভাব ফেলতে পারে।

কিছু মানুষ সব বিষয়েই অভিযোগ করেন, কখনও অন্যদের বিরুদ্ধে, কখনও আবার জীবনের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

এ ধরনের কথাবার্তা আশপাশের মানুষের মধ্যে অপরাধবোধ তৈরি করতে পারে এবং কাজের প্রতি মনোযোগ নষ্ট করতে পারে। ফলে ধীরে ধীরে কর্মস্পৃহাও কমে যেতে পারে।
আবার কিছু ব্যক্তি সব আলোচনায় নিজেকে কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে চান এবং প্রায়ই অন্যের কথাকে নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিলিয়ে ফেলেন। এতে স্বাভাবিক কথোপকথনেও অস্বস্তি তৈরি হয় এবং মানসিক স্বস্তি ব্যাহত হতে পারে।

অনেক মানুষের অভ্যাস থাকে বিয়ে, সম্পর্ক, ওজন বা ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে অপ্রয়োজনীয় প্রশ্ন করা বা মন্তব্য করা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এ ধরনের আচরণ বারবার মানসিক ক্লান্তি তৈরি করে এবং সম্পর্কেও চাপ সৃষ্টি করে।

এ ছাড়া কিছু ব্যক্তি অন্যের ব্যক্তিগত জীবনে অযথা কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যক্তিগত জীবনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার একমাত্র ব্যক্তির নিজেরই থাকা উচিত। অন্যের চাপ মানসিক দ্বন্দ্ব ও অস্থিরতা বাড়াতে পারে।

অন্যদিকে কিছু মানুষ নিয়মিত অন্যদের সমালোচনা করেন। এমন মানুষের সঙ্গে বেশি সময় কাটালে মনে হতে পারে, আপনার অনুপস্থিতিতেও তারা আপনার বিষয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করতে পারেন, যা মানসিক চাপ আরও বাড়িয়ে দেয়।

মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, এ ধরনের মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ সীমিত রাখা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এবং ইতিবাচক সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া কর্মশক্তি ও মানসিক প্রশান্তি ধরে রাখতে সহায়ক।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা