বিশেষ অনুসন্ধান | নিজস্ব প্রতিবেদক
গাইবান্ধা-৪ (গোবিন্দগঞ্জ) আসনের সাবেক আওয়ামী লীগ সংসদ সদস্য প্রকৌশলী মো. মনোয়ার হোসেন চৌধুরীর ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) হিসেবে দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালনকারী মো. খাইরুল ইসলামের সম্পদের উৎস নিয়ে গোবিন্দগঞ্জজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, পিএস হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এবং পরবর্তী সময়ে তিনি বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এলাকাবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, বহুতল ভবন নির্মাণ, জমি ক্রয় এবং উল্লেখযোগ্য আর্থিক সক্ষমতার উৎস নিয়ে স্বচ্ছ তদন্ত হওয়া উচিত।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ক্ষমতার কেন্দ্রের কাছাকাছি অবস্থান করার সুযোগে প্রভাব খাটিয়ে তিনি বিপুল সম্পদ গড়ে তুলেছেন। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। অভিযোগকারীদের বক্তব্য, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো যদি সম্পদের উৎস, আয়ের নথি এবং সম্পদ অর্জনের প্রক্রিয়া যাচাই করে, তাহলে প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে উঠে আসবে।
এলাকাবাসীর একটি অংশের দাবি, বিষয়টি নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ অনুসন্ধান প্রয়োজন। তাদের মতে, জনস্বার্থে এই অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই হওয়া উচিত এবং তদন্তে অনিয়মের প্রমাণ মিললে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত, আর অভিযোগের ভিত্তি না থাকলে সেটিও জনসমক্ষে স্পষ্ট হওয়া উচিত।
এ বিষয়ে মো. খাইরুল ইসলামের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও এই প্রতিবেদন প্রকাশ পর্যন্ত তাঁর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।